হায় স্বাধীনতা! । বাংলা কবিতা । আরমান হোসেন

বুকে বুলেটের চিহ্নটা শুকিয়ে গেছে।
বাম কাঁধেরটা এখনো যায় নি মোটে
এবারও কি-
নিভৃতচারী শহীদের পদটা জোটে।
চাওয়াটা মোদের সাদামাটা ছিলো, "ভাষা"
মনটা ছিলো পরিচ্ছন্ন এক্কেবারে খাঁসা।
স্রোতে কিভাবে রক্ত নামে, দেখেছিলাম সেবার
বর্বরতার রক্তাবর্তে পরলাম নাকি আবার?
দাবিটা ছিলো মনের ভেতর, নিলেও দস্যু পিছু
ভাষা নিয়ে ফিরবো ঘরে, যায় যাক সবকিছু।
মুখের বুলি, মায়ের ভাষায় চোখটা এলো বুজে
ক্যানো সেই ভাষাটা আজ, পাইনা কোথাও খুঁজে?
যুগটা এখন বড়ো বে-সামাল, স্তম্ভ সাঁড়ি সাঁড়ি।
জানে না কেউ কোন লাইনে পরবে কমা-দাঁড়ি!
স্বার্থহীনের জাতটা ভুলে সব মীরজাফরের জাতে
মান-মর্যাদা হারালে ভাই, কি আসে যায় তাতে!
বললে কথা মালাইসহ বরফ যাবে গলে
গানটা ছাড়া প্রাণটা গেলোই বুঝি চলে।
এগিয়ে দলুক, সামনে চলুক স্বার্থপরের দল
স্বাধীন মোরা বলতে কথা, বলেছে কোন খল!
হায় স্বাধীনতা ! তুমি, মুক্ত পাখির ডানায়
তোমার প্রকাশ-
আকাশে তাঁকানো, দীর্ঘশ্বাসেই মানায়!
হায় স্বাধীনতা! । বাংলা কবিতা । আরমান হোসেন
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন