ব্র্যান্ড! ব্র্যান্ডিং! ব্র্যান্ডিং মার্কেটিং । - ব্র্যান্ডিং এবং বাস্তবতা!
ব্র্যান্ড! ব্র্যান্ডিং! ব্র্যান্ডিং মার্কেটিং ।
ব্র্যান্ডিং এবং বাস্তবতা!
লেখার শুরুতেই আফতাব মাহমুদ খুরশিদ ভাইয়ের লেখা “ব্র্যান্ডিং
এবং বাস্তবতা” বইটিকে বাস্তবসম্মত স্পষ্ট অভিব্যক্তির অনন্য প্রকাশ বলবো । বইয়ের নাম
নির্ধারণ বইয়ের প্রতি অনায়েসে আকর্ষণ জাগাতে সক্ষম।
প্রাণের সংগঠন BPRA এর গ্রুপ থেকে বইয়ের সম্পর্কে জেনে
অনলাইল প্লাটফর্ম রকমারি থেকে বইটি নেয়া। প্রচ্ছদ থেকে শুরু করে বইয়ের প্রতিটি পাতাতে
বাস্তবতার নিরিখে তথ্য উপস্থাপিত হয়েছে। যা কর্মক্ষেত্রের বিভিন্ন পরিস্থিতির সাথে
বিষয় মিলিয়ে নেয়া যায়।
ব্র্যান্ডিং এর সাথে আপোষ করতে নেই। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায়
প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা কর্তা ব্যক্তিরা ব্র্যান্ডিং সচেতন না হলে এর সুফল বুঝতে না
পেরে কর্মীদের বোঝা মনে হওয়াই স্বাভাবিক। কিছু ক্ষেত্রে এই মনোভাবের ভার এমন বেশি হয়ে
যায় যে দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা ব্যতিরেখে সবার মনোযোগ যায় সবসময় সেলস্ সূচকে। ব্র্যান্ডিং
করে কি লাভ যদি সেল না বাড়ে?
আমার পেশাগত অবস্থান থেকে তাল মিলিয়ে যদি বলি, রংয়েরও
বয়স আছে বা বয়সেরও রং আছে। যদি বাচ্চাদের জন্য কোন ব্র্যান্ড তৈরী হয় তাহলে সেটার জন্য
তেমন রংই ব্যবহার করতে হবে, না হলে মনোযোগ হারানো স্বাভাবিক। আবার শুরু রংই ঠিক রাখলেন
কিন্তু এমন Elements রাখলেন না তাহলে টার্গেট পিপল একটা পর্যায় পর্যন্ত এসে আবার সরে
যাবে। তাহলে সবকিছুর মেলবন্ধনটাও দরকার। সব মিলিয়েই গল্পটা তৈরী হবে।
CSR কিভাবে ব্র্যান্ডিংয়ে টেকসই ভূমিকা এবং প্রভাব বিস্তার
করে তাও কিন্তু জানা যাবে এই বইয়ে। SWOT অ্যানালাইসিস করা, দক্ষ জনশক্তি নিয়োগ, ইভেন্ট
ব্র্যান্ডিং, ব্র্যান্ড আইডেন্টির খুঁটিনাটি,
ব্র্যান্ডিং এর উত্তরণ, বিভিন্ন সেক্টরে ব্র্যান্ডিং এবং সাফল্যের নেপথ্য শক্তি হিসেবে
কোন নিয়ামক ভূমিকা পালন করে এমন অনেক বাস্তব নির্ভর বিষয় উঠে এসেছে এই বইটিতে।
একটি ব্র্যান্ড শিশুর মতো, তার লালন-পালন সঠিক হওয়া চাই।
না হলে ফলাফল ভালো আশা করা যায় না। প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতা বাড়ছে, সেটা প্রতিষ্ঠানের
সাথে সাথে ব্যক্তি পর্যায়েও। প্রতিদিন, প্রতিক্ষণ নতুন নতুন প্রযুক্তি আর উদ্ভাবন ট্রেন্ড
করছে। তাই বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সবই দীর্ঘমেয়াদি ব্র্যান্ডিং পরিকল্পনা দিয়ে সূচিত করা
আবশ্যক। দক্ষ জণশক্তি যখন ব্র্যান্ডের মিশন-ভিশন, কোয়ালিটি মেনে গ্রাহক পর্যন্ত পৌঁছাতে
সক্ষম হয় তখন ব্র্যান্ড হয়ে উঠবে গ্রহনযোগ্য। সেই গ্রহনযোগ্যতার সাথে সাথেই নতুনত্ব
আর আধুনিকতার চাহিদা বুঝে ব্র্যান্ডিং করতে হবে। তাতে করে সেতুবন্ধন তৈরী হবে ব্র্যান্ড
এবং গ্রাহকদের সকল পর্যায়ে। যা ব্র্যান্ডকে করবে অনন্য এবং সফল।
*যতটুকু লিখেছি তার আমার নিজস্ব মতামত। কোন ত্রুটি থাকলে
নিঃসংকোচ বলার অনুরোধ জানাই। আমি বিনয়াবনত চিত্তে সেটি সুধরে নেবো। সবার জন্য শুভ কামনা।
-আরমান হোসেন
পিআর, ব্র্যান্ড এন্ড কমিউনিকেশন প্রফেশনাল
লাইফ মেম্বার, বাংলাদেশ পিআর অ্যাসোসিয়েশন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন